গ্রেপ্তার সবুজ খান (৩৫) রংপুর জেলার দেবীগঞ্জ থানার বানিয়াপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে।
র্যাব -১১ জানায়, ভিকটিম ও আসামি সবুজ খানের মধ্যে ফেসবুকে পরিচয়, পরবর্তীতে মোবাইলে বন্ধুত্ব হয়। বন্ধুত্বের সুবাদে সবুজ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমের সাথে হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও ম্যাসেঞ্জারে অডিও এবং ভিডিও কলে আপত্তিকর অবস্থায় কথা বলতে থাকে। ভিডিও কলে কথা বলার একপর্যায়ে সবুজ কৌশলে ভিকটিমের ভিডিও ধারণ করে। ওই ভিডিও বিভিন্ন অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে প্রেমিকার থেকে ৫লক্ষ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা আদায় করে। পুনরায় আপত্তিকর ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ার হুমকি দিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ধাপে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা আদায় করে এবং আরও ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দাবি করে হুমকি দিতে থাকে। কিছু দিন টাকা না দেওয়ায় সবুজ ভিকটিমের আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও বিভিন্ন চ্যাটিং গ্রুপ ও অনলাইনে ছেড়ে দেয়।
র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কোম্পানী কমান্ডার মো.মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত আরও বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামি পলাতক ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মামলার ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকার আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।






















