
স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ির নির্মাণধীন দোকানঘর ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে চরলরেন্স বাজারের ব্যবসায়ি মোঃহোসেন বাদি হয়ে লক্ষীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কমলনগর,আমলী আদালতে একটি মামলা করেন।আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কমলনগর থানাকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেন।মামলায় অভিযুক্তরা হলেন-চরলরেন্স ইউনিয়নের মৃত সুলতান
আহাম্মদের ছেলে মোঃ মুরাদ উদ্দিন (৩৮),তার ভাই মোঃ লোকমান হোসেন (৪১)জিল্লালের ছেলে জাকির হোসেন রাজন (১৯)এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ওই দোকানঘর ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃহোসেন ও তার ভাই চরলরেন্স ইউনিয়নের চরপাগলা এলাকায় সওদাগরের রাস্তাার মাথায় তাদের জমিতে টিনসেড সাইড ওয়াল দোকানঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।গত ১লা আগস্ট অভিযুক্তরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ১০দিনের মধ্যে দাবিকৃত চাঁদা পরিশোধ না করলে দোকানঘর ভেঙে ফেলার হুমকিও দেন।বিষয়টি ভুক্তভোগী মো. হোসেন গুরুত্ব না দিয়ে সে তার কাজ চালিয়ে যান।হঠাৎ গত গত মঙ্গলবার রাতে অতর্কিত হামলা করে ওই দোকানঘর ভাঙচুর শুরু করে অভিযুক্তরা।পরে ওখানে থাকা হোসেনের লোকজন বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের সাথে থাকা লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।ওই সময় অভিযুক্তদের হামলায়
মোঃহোসেনের ভাই জয়নুল আবদীনসহ,পরান হোসেন,রাকিব হোসেন ও মোঃরুবেল গুরুতর আহত হয়।পরে আহতদের উদ্ধার করে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দোওয়া হয়।এ বিষয়ে মোঃহোসেন বলেন,আমাদের নিজস্ব জমিতে আমরা দোকানঘর করছি।কিন্তু মুরাদ উদ্দিন তার লোকজন নিয়ে চাঁদা দাবি করে।চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আমাদের নির্মাণাধীন দোকানঘর ভাঙচুর করে এবং আমার ভাইসহ চার জনকে পিটিয়ে আহত করে।আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃমুরাদ উদ্দিন বলেন,তার ঘর কে ভাঙছে আমরা জানিনা। তবে তার সাথে আমাদের দেওয়ানী মামলা চলমান।আর মূলত ওই জায়গা হলো সড়কও জনপদ বিভাগের।এছাড়া ওই জায়গায় ৪টি কবরস্থানও রয়েছে।কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন,বিষয়টি আমার নলেজে নেই।মামলার কপি পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















