
স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক তরুণীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ৬দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।এতে পুলিশের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী। এর আগে গত মঙ্গলবার(২৭জুলাই)সন্ধ্যায় উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের দক্ষিন চরজাঙ্গালীয়া আর্টিস কিল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অচেতন করে ৬-৭ জনের একটি দল তাকে
পালাক্রমে ধর্ষণ করে।এদিকে ভুক্তভোগী তরুণীটিকে বিষয়টি প্রকাশ করলে ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চর জাঙ্গালীয় এলাকার বাসিন্দা ঐ তরুণী স্থানীয় করুণানগর বাজারে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রিসিপসনিস্ট পদে চাকরি করেন।২৭জুলাই অপরিচিত এক নম্বর থেকে উপজেলার চরফলকন এলাকার ফরিদ আহাম্মদের ছেলে মোঃরবিন(২৪)তরুণীটির মোবাইল ফোনে কল দেয় এবং রবিন তাকে তাকে পছন্দ করে বলে জানায়।পরে ওই দিন সন্ধ্যায় তরুণী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে একটি অটোরিকশায় ওঠেন।অটোরিক্সাটি হাজিরহাট মেঘনা সিনেমা হল এলাকায় পৌঁছালে সেটিতে থাকা যাত্রী রবিন ও রাকিব তরুণীর মুখে স্প্রে ছিটিয়ে দেন।এতে অচেতন হয়ে পড়লে তারা তরুণীটিকে হাজিরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ চরজাঙ্গালীয়া এলাকার আর্টিস কিল্লা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়।পরে তারা তরুণীটিকে হাত-মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত ১১টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তরুণী নিজেকে এ অবস্থায় দেখতে পান।এ সময় সে তার কাছে রবিন ও রাকিব ছাড়াও আরো চার যুবককে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় দেখেন বলেন জানান তরুনী।পরে বিষয়টি কাউকে না বলার শর্তে তরুণীকে তারা ছেড়ে দেয়। এ সময় রবিন তরুণীটিকে ঘটনা প্রকাশ করলে ওই সময়ে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।এরপর তরুণী বাড়িতে এসে বিষয়টি পরিবারকে জানালে পরে তার মা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে রবিন ও রাকিবের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন।এ বিষয়ে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃফরিদুল আলম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।












