
স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীতে চার জেলেকে অপহরণের ঘটনায় সাহেবেরহাট ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।বুধবার রাতে অপহৃত জামাল উদ্দিন মাঝি বাদি হয়ে কমলনগর থানায় এ মামলা করেন।মামলায় হেলাল উদ্দিনকে এক নাম্বার আসামিসহ ৯জনের নাম উল্লেখ করা হয়।এছাড়া ও মামলায় অজ্ঞাতনাম আরো ১০/১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে মেঘনার নদী মাতাব্বর হাট এলাকায় চার জেলেকে অপহরণ করা হয়।পরে যুবদল
নেতা হেলাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। অপহৃতরা হলো চরজগবন্ধু এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে জামাল উদ্দিন,তার ছেলে মো. সুৃৃমন, শামিম হোসেন ও ভোলার দৌলতখাঁ এলাকার মো. ইয়াছিনের ছেলে কামাল উদ্দিন।মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গত মঙ্গলবার রাতে মেঘনা নদীর মাতাব্বরহাট এলাকায় দুই নৌকায় জেলেরা মাছ ধরছিলো।রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হেলাল মেম্বারের নেতৃত্বে দুইটি স্প্রিরিটবোট ও তিনটি টেম্পু নৌকায় ১৫-২০ লোক এসে তাদের হামলা করে। পরে তাদের নৌকায় থাকা মাছসহ সকল মালামাল লুট করে নেয় আসামিরা। পরে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য চার জন জেলেকে নিয়ে যায় তারা। ওই সময় জেলেদের হাতে থাকা সকল মোবাইল নিয়ে নিলেও কামাল মাঝির ফোন নিতে পারেনি অপহরণকারীরা। ওই সময় কামাল মাঝির মুঠোফোনে যোগাযোগ করে লোকেশন নিশ্চিত করে অপহৃতদের আত্মীয়-স্বজনরা।পরে বিষয়টি কমলনগর থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ চরলরেন্স ইউনিয়নের
নবীগঞ্জ এলাকায় যুবদল নেতা হেলাল উদ্দিনের বাড়ি থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করেন।এ বিষয়ে মামলার বাদি জামাল মাঝি বলেন, যুবদল নেতা হেলাল মেম্বার মেঘনা নদীতে ডাকাতি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত। ঘটনার দিন ১৫-২০ জন এসে আমাদের মারধর করে দুই নৌকার মাছসহ সকল মালামাল লুট করে নেয়।একপর্যায়ে আমাদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে।এ বিষয়ে সাহেবের হাট ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও ওই ইউনিয়নের ৬নাম্বার ওয়ার্ডের (ইউপি) সদস্য মো. হেলাল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ ফরিদুল আলম বলেন, নদীতে অপহরণসহ বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়ে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





















