ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎ক্লিনিকসহ একাদিক চুরি,ব্যবস্থা নিতে উর্ধতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা

  • আপডেট: ১০:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 39

স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুর কমলনগরে চোরচক্রের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। রোববার রাতে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের একটি বসতবাড়ি এবং পাটারির হাট ইউনিয়নের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির ঘটনা ঘটেছে।একের পর এক এসব চুরির ঘটনায় সকালে মামলা বা অভিযোগ দিতে গিয়ে থানা পুলিশের চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার মুখোমুখি হতে হয়েছে ভুক্ত ভোগীদের।ভুক্তভোগীরা জানান,রাতে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সোমবার

সকাল থেকে তারা ২-৩বার কমলনগর থানায় যান।কিন্তু থানায় গিয়ে কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে না পাওয়ায় অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হয়নি।এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের মুখে পড়েন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।অনুসন্ধানে জানা যায়,টানা কয়েকদিন ধরে এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়েই সকালে হঠাৎ ছুটিতে চলে যান কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)অন্যদিকে,দীর্ঘদিন ধরে থানায় ওসি(তদন্ত)পদে কেউ নেই।এমনকি ওসির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও সেকেন্ড অফিসার সাফায়েত হোসেনও থানার প্রশাসনিক কাজে জেলা সদরে অবস্থান করছিলেন।ফলে এক রাতেই দুটি বড় ধরনের চুরির পর থানায় গিয়ে সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয় ভুক্তভোগী দের।‎চর কাদিরার মমিন উল্যাহ বাড়ি থেকে নগদ টাকা,একটি মটরসাইকেল,স্বর্ণলংকারসহ প্রায় ২০লক্ষ টাকার মালা মাল চুরি হয়েছে।পাটারির হাট ইউনিয়নে অবস্থিত আবুয়াল হোসেন তালুকদার কমিনিউটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি কামরুল আহসান জানান,বৃহস্পতিবার রাতে ক্লিনিকের তালা

ভেঙে বিতরে থাকা একটি লেপটপ,আই পিএসের ব্যাটারি, ওয়াইপাইয়ে রাউটার,অনুসহ স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন জরুরী সরঞ্জাম নিয়ে গেছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন করুণ দশা এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।সচেতন মহলের মতে, এলাকায় ধারাবাহিক চুরির মতো অপরাধের ঘটনা ঘটার পর আইনি সহায়তা দিতে থানার ওসি ও গুরুত্বপূর্ণ কর্অমকর্তাদের অনুপস্থিতি অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করবে।চোরচক্রের বেপরোয়া চুরির ঘটনা বন্ধ,খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং থানায় সাধারণ মানুষের আইনি সেবা নিশ্চিত করতে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও কমলনগরের সাধারণ বাসিন্দারা।এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবু তারেক জানান,দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রামগতি সার্কেলসহ সংসৃষ্টদের তাগিদ দিয়েছেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

‎ক্লিনিকসহ একাদিক চুরি,ব্যবস্থা নিতে উর্ধতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট: ১০:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুর কমলনগরে চোরচক্রের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। রোববার রাতে উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের একটি বসতবাড়ি এবং পাটারির হাট ইউনিয়নের একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির ঘটনা ঘটেছে।একের পর এক এসব চুরির ঘটনায় সকালে মামলা বা অভিযোগ দিতে গিয়ে থানা পুলিশের চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার মুখোমুখি হতে হয়েছে ভুক্ত ভোগীদের।ভুক্তভোগীরা জানান,রাতে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সোমবার

সকাল থেকে তারা ২-৩বার কমলনগর থানায় যান।কিন্তু থানায় গিয়ে কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে না পাওয়ায় অভিযোগ দায়ের করা সম্ভব হয়নি।এতে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের মুখে পড়েন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।অনুসন্ধানে জানা যায়,টানা কয়েকদিন ধরে এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়েই সকালে হঠাৎ ছুটিতে চলে যান কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)অন্যদিকে,দীর্ঘদিন ধরে থানায় ওসি(তদন্ত)পদে কেউ নেই।এমনকি ওসির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও সেকেন্ড অফিসার সাফায়েত হোসেনও থানার প্রশাসনিক কাজে জেলা সদরে অবস্থান করছিলেন।ফলে এক রাতেই দুটি বড় ধরনের চুরির পর থানায় গিয়ে সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয় ভুক্তভোগী দের।‎চর কাদিরার মমিন উল্যাহ বাড়ি থেকে নগদ টাকা,একটি মটরসাইকেল,স্বর্ণলংকারসহ প্রায় ২০লক্ষ টাকার মালা মাল চুরি হয়েছে।পাটারির হাট ইউনিয়নে অবস্থিত আবুয়াল হোসেন তালুকদার কমিনিউটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি কামরুল আহসান জানান,বৃহস্পতিবার রাতে ক্লিনিকের তালা

ভেঙে বিতরে থাকা একটি লেপটপ,আই পিএসের ব্যাটারি, ওয়াইপাইয়ে রাউটার,অনুসহ স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন জরুরী সরঞ্জাম নিয়ে গেছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন করুণ দশা এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।সচেতন মহলের মতে, এলাকায় ধারাবাহিক চুরির মতো অপরাধের ঘটনা ঘটার পর আইনি সহায়তা দিতে থানার ওসি ও গুরুত্বপূর্ণ কর্অমকর্তাদের অনুপস্থিতি অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করবে।চোরচক্রের বেপরোয়া চুরির ঘটনা বন্ধ,খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং থানায় সাধারণ মানুষের আইনি সেবা নিশ্চিত করতে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি ও সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও কমলনগরের সাধারণ বাসিন্দারা।এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবু তারেক জানান,দ্রুত ব্যবস্থা নিতে রামগতি সার্কেলসহ সংসৃষ্টদের তাগিদ দিয়েছেন।