
স্টাফ রিপোর্টার:-১৫বছর আগে পুলিশের কনস্টেবল পদে যোগ দিয়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে গড়ে তুলেছেন কোটি টাকার বহুতল বানিজ্যিক ভবন।এ ছাড়াও তার নামে বেনামে আরো কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।তার নাম ফাইয়াছ হাসমিনুর রোবেল।বর্তমানে সে কক্সবাজার র্যাব এর গোয়েন্দা বিভাগে দায়িত্ব পালন
করছেনবলে জানা যায়।এদিকে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট চট্টগ্রামের চান্দগাঁ তার কর্ম এলাকায় ফাইয়াছ হাসমিনুর রোবেল সরকারের পক্ষ হয়ে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাতেথানার অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করছেন আওয়ামী লীগের লোকজনকে।ঘটনার সত্যতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যাুনালে তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়,২০১১সালে ফাইয়াছ হাসমিনুর রোবেলের লক্ষ্মীপুর জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পায়।তার বাবা নুরনবী চৌধুরীর তখনকার সময়ে কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।এর পর আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে হওয়ায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিভিন্ন থানায় দাপটের সহিত চাকরি করে সে।২০১৯ সালে সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এএসআই)পদে তার পদন্নোনতি হয়। এএসআই হওয়ার পর তার কর্ম এলাকায় চট্টগ্রামের চাঁন্দগাও থানায় জামায়াত-বিএনপির লোকজনের নির্যাতন এবং মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয় সে।
অনুসন্ধান জানা যায়,রোবেল ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নে প্রায় অর্ধকোটি টাকার জমি কিনেন পুলিশ সদস্য রোবেল।২০২৪ সালের জুলাই মাসে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হলে সরকারের পক্ষ হয়ে চাঁন্দগাঁ থানা এলাকায় সে অনেক দমন-পীড়ন চালায় এ কর্মকর্তা।ওই সময় আন্দোলনের মাত্রা বেড়ে গেলে সাধারণ জনগনের ওপর গুলি চালাতে ৪ এবং ৫আগস্ট আওয়ামী, যুবলীগ ও ছাত্র লীগের নেতা কর্মীদের হাতে থানার অস্ত্র তুলে দেয় সে।ওই সময় পুলিশের অস্ত্রের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র মারা যায়।এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের স্বীকারোক্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যাুনালে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।এ দিকে ৫আগস্ট সরকারের পতন হয়ে গেলে রোবেল বোরখা পরে এলাকায় পালিয়ে আসে।এলাকায় এসে উপজেলা সদর হাজিরহাট বাজারের তোয়াহা মার্কেট আগের ক্রয়কৃত জমিতে ৫তলা ভবনের কাজ শুরু করেন।তার সকল অপকর্ম এবং অল্পদিনে অনেক টাকার মালিক বনে যাওয়ার খবর হাজিরহাট বাজারে সাধারণ জনগনের মুখে মুখে।তাই জনরোষ থেকে বাঁচতে কমলনগর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবু ছায়েদ দোলনকে তার হাতের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে জানা যায়।এদিকে পুলিশ সদস্য ফাইয়াছ হাসমিনুর রোবেল ট্রাইব্যুনালে তাকে ডাকার বিষয় স্বীকার করে বলেন ৫ আগষ্ট চাঁন্দগাঁ থানা এলাকায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে কয়েকজন ছাত্র মারা যায়।সে অপরাধে ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়েছে।সেখানে কোন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়নি।তাকে স্বাক্ষী হিসাবে ডাকা হয়েছে।২০১৩ সালে পুলিশের কনস্টেবল হিসাবে যোগদানের পর এ সময় এসে অর্ধকোটি টাকার সম্পত্তি কেনা এবং কোটি টাকার বহুতল ভবন নির্মাণ করার কথা তিনি অকপটে স্বীকার করেন।





















