
স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে কুরবানির ঈদে বাবার বাড়ি থেকে খাসি না দেওয়ায় সুমি আক্তার নামে এক গৃহবধুকে মুখে আগুন লাগিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরের বিরুদ্ধে।শ্বশুর মেজবাহ উদ্দিন জলন্ত চুলা থেকে আগুন নিয়ে ওই গৃহবধুর মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগিয়ে দেয়।নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ সুমি কমলনগর
উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের আবুল কালামের মেয়ে। খবর পেয়ে সুমিকে উদ্ধার করে কমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন তার পরিবার।মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আলেকজান্ডার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে স্বামী রহিম,শ্বশুর মেজবাহ উদ্দিন মেজুসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুমির পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের যৌতুক এবং কুরবানীর জন্য একটি বড় খাসি ছাগল দাবি করে আসছিল।সুমির দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সেই দাবি পুুরন করা সম্ভব হবে না জেনে ক্ষিপ্ত হয় শ্বশুর ও স্বামী রহিম।বিষয়টি নিয়ে স্বামী রহিম সুমি এর আগে একাধিকবার পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।ঘটনার দিন সকালে সুমি ভাত রান্না করছিলো।শ্বশুর মেজবাহ উদ্দিন কথাকাটির এক পর্যায়ে
সুমিকে জলন্ত চুলায় ধাক্কা দেয়।এতে চুলার আগুনের তার মুখে লেগে পুড়িয়ে যায়।এদিকে সুমির স্বামী আবদুর রহিম দাবি করেন বিয়ের সময় আমাকে একটি স্বর্ণের চেইন দেওয়ার কথা ছিলো।কিন্তু আমার শ্বশুর পক্ষ কোন ওয়াদা রক্ষা করেনি।আমার বাবাকে গালিগালাজ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সুমিকে ধাক্কা দিলে চুলার সাথে তার মুখ লেগে যায়।খাসি দেওয়ার বিষয়ে কোন কথা হয়নি।রামগতি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি লিটন দেওয়ান বলেন,বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















