ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাটখিলে ভুয়া দন্ত চিকিৎসককে জরিমানা

  • আপডেট: ০৫:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • 53

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছাড়াই নিজেকে দন্ত চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে এক ভুয়া দন্ত চিকিৎসককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে চাটখিল পৌরসভার পাল্লা রোড এলাকায় অবস্থিত “সিজনস্ ডেন্টাল” ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে রিপন সরকার নামে ওই ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, রিপন সরকার কিছুদিন আগে এক দন্ত চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পরে নিজেই চেম্বার খুলে ‘ডেন্টিস্ট’ পরিচয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেন।

অভিযানের সময় তিনি ভবিষ্যতে আর দন্ত চিকিৎসা করবেন না বলে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছাড়া কেউ চিকিৎসা কার্যক্রম চালালে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরার রাজকীয় মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

চাটখিলে ভুয়া দন্ত চিকিৎসককে জরিমানা

আপডেট: ০৫:৪৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছাড়াই নিজেকে দন্ত চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে এক ভুয়া দন্ত চিকিৎসককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে চাটখিল পৌরসভার পাল্লা রোড এলাকায় অবস্থিত “সিজনস্ ডেন্টাল” ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে রিপন সরকার নামে ওই ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, রিপন সরকার কিছুদিন আগে এক দন্ত চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। পরে নিজেই চেম্বার খুলে ‘ডেন্টিস্ট’ পরিচয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেন।

অভিযানের সময় তিনি ভবিষ্যতে আর দন্ত চিকিৎসা করবেন না বলে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক সনদ ছাড়া কেউ চিকিৎসা কার্যক্রম চালালে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।