ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে যোগদান

স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন মিলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।বুধবার (৮জুলাই)বিকালে উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস কক্ষে জামায়াতে

এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ আর হাফিজুল্লাহর উপস্থিতি তে দলীয় সদস্য ফরম পূরণের করে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।এ সময় জামায়াত নেতারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এ সময় আকতার হোসেন মিলন জামায়াতের প্রশংসা করে বলেন, এখন বয়স হয়েছে।বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চান তিনি।মিলন তিন বার হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)চেয়ারম্যান নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।যোগদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন ফারুকী,বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন,জামায়াতের সাবেক উপজেলা ভাইস

চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির,মাতাব্বরনগর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসাইন এবং স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আকতার হোসেন মিলন ২০১১ সালে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপন ভগ্নিপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাছেত হেলালের সাথে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।পরে ২০১৫সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নিজাম উদ্দিনের সাথে ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তখনকার জেলা পুলিশ সুপার মিলনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান।ওই সময় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে মিলনকে ভোটের মাঠ থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়।তখন সমঝোতার ভিত্তিতে নিজাম উদ্দিনের বড় ভাই মোয়াজ্জেম হোসেনকে হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদ থেকে সরিয়ে আকতার হোসেন মিলনকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়।এর পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির

সাথে সক্রিয় থাকলেও অল্প কিছুদিন পরেই দলীয় এক চিঠির মাধ্যমে মিলনের সভাপতি পদ কেড়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন তার ভাই মোয়াজ্জেমকে আবারো সভাপতি ঘোষণা করেন।এরপর ২০২১ সালে মিলন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে না পেয়ে আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজাম উদ্দিনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই সময় তার ব্যানার,ফেস্টুন,মাইক ভেঙ্গে দিয়ে মিলনকে

ভোটের মাঠে দাড়াতে দেয়নি নিজাম উদ্দিনের লোকজন।
‎যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কমলনগর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, আক্তার হোসেন মিলন জামায়াতের নীতি আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের দলে যোগদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামী তা সাদরে গ্রহন করেছেন।এ বিষয়ে আক্তার হোসেন মিলন বলেন,বর্তমানে আমার বয়স ৬০ বছর।বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চাই।এখানে আমার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

Tag :

নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ

আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে যোগদান

আপডেট: ০২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন মিলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।বুধবার (৮জুলাই)বিকালে উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস কক্ষে জামায়াতে

এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ আর হাফিজুল্লাহর উপস্থিতি তে দলীয় সদস্য ফরম পূরণের করে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।এ সময় জামায়াত নেতারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।এ সময় আকতার হোসেন মিলন জামায়াতের প্রশংসা করে বলেন, এখন বয়স হয়েছে।বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চান তিনি।মিলন তিন বার হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)চেয়ারম্যান নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।যোগদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন ফারুকী,বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন,জামায়াতের সাবেক উপজেলা ভাইস

চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির,মাতাব্বরনগর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসাইন এবং স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আকতার হোসেন মিলন ২০১১ সালে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপন ভগ্নিপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাছেত হেলালের সাথে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।পরে ২০১৫সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নিজাম উদ্দিনের সাথে ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তখনকার জেলা পুলিশ সুপার মিলনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান।ওই সময় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে মিলনকে ভোটের মাঠ থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়।তখন সমঝোতার ভিত্তিতে নিজাম উদ্দিনের বড় ভাই মোয়াজ্জেম হোসেনকে হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদ থেকে সরিয়ে আকতার হোসেন মিলনকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়।এর পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির

সাথে সক্রিয় থাকলেও অল্প কিছুদিন পরেই দলীয় এক চিঠির মাধ্যমে মিলনের সভাপতি পদ কেড়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন তার ভাই মোয়াজ্জেমকে আবারো সভাপতি ঘোষণা করেন।এরপর ২০২১ সালে মিলন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে না পেয়ে আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজাম উদ্দিনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই সময় তার ব্যানার,ফেস্টুন,মাইক ভেঙ্গে দিয়ে মিলনকে

ভোটের মাঠে দাড়াতে দেয়নি নিজাম উদ্দিনের লোকজন।
‎যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কমলনগর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, আক্তার হোসেন মিলন জামায়াতের নীতি আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের দলে যোগদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামী তা সাদরে গ্রহন করেছেন।এ বিষয়ে আক্তার হোসেন মিলন বলেন,বর্তমানে আমার বয়স ৬০ বছর।বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চাই।এখানে আমার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।