ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎ভাড়াটে লোক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা,জামায়াতের নেতা কারাগারে

  • আপডেট: ১০:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 27
স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ভাড়াটে লোক দিয়ে সাবেক স্ত্রীর হত্যা মামলায় আবু বকর ছিদ্দিককে  কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।তিনি সাবেক স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি তিনি।সোমবার(৩ আগস্ট)দুপুরে আবু বকর ছিদ্দিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্ম সমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।এতে
ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাদেকুর রহমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আবু বকর ছিদ্দিক কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়ন জামায়াতের রুকন ও একই ইউনিয়নের চর সামছুদ্দিন গ্রামের আলী উল্যা হাওলাদারের ছেলে।আদালত সূত্র জানায়,সালেহা বেগম নামে এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আবু বকর চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই নারীকে গোপনে বিয়ে করেন তিনি, পরে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।জমি কেনার জন্য ৩০লাখ টাকা লেনদেন কে কেন্দ্র করে মোঃসেলিম নামে ভাড়াটে এক ব্যক্তিকে দিয়ে তিনি ২০২৫ সালের ১৫ জুন দিবাগত রাতে সালেহাকে ভাড়াটে লোক দিয়ে হত্যা করান।চার্জশিট ও থানা পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের
১৬ জুন কমলনগরের মতিরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে নুনু সর্দারের পরিত্যক্ত ভিটায় সাহেলা বেগমের মরদেহ পাওয়া যায়।এ ঘটনায় তার মেয়ে ফাতেমা বেগম অজ্ঞাত দের নামে মামলা করেন।কমলনগর থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়।সেলিম নামে এক ব্যক্তি কে
গ্রেপ্তার করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।আদালতে দেওয়া জবান বন্দিতে সেলিম স্বীকার করে,সালেহাকে নির্জন স্থানে নিয়ে তিনি গলা টিপে অচেতন করে।পরে তাকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।সালেহার কাছে থাকা স্বর্ণ অলংকার নিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যায়।চার্জশিটে উল্লেখিত সেলিমের জবান বন্দি অনুযায়ী, সালেহার সঙ্গে আবু বকর ছিদ্দিকের গোপনে বিয়ে হয়।জমি কেনার কথা বলে সালেহার কাছ থেকে আবু বকর ৩০লাখ টাকা নেয়।কিন্তু জমি কিনে না দিয়ে উল্টো আরও ২০লাখ টাকা দাবি করে।এ নিয়ে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।আবু বকর ছিদ্দিক ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালেহাকে হত্যার জন্য সেলিমকে ভাড়া করে।সেলিমের স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দিতে থানা পুলিশ সেলিম এবং আবু বকর ছিদ্দিককে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।আসামি সেলিম কারাগারে থাকলেও আবু বকর পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।বাদির আইনজীবী আমজাদ হোসাইন বলেন,চার্জশিটভুক্ত দ্বিতীয় আসামি আবু বকর আদালতে আত্ম সমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।হত্যা মামালটি বিচারাধীন রয়েছে।
Tag :

‎ভাড়াটে লোক দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা,জামায়াতের নেতা কারাগারে

আপডেট: ১০:২৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার:-লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ভাড়াটে লোক দিয়ে সাবেক স্ত্রীর হত্যা মামলায় আবু বকর ছিদ্দিককে  কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।তিনি সাবেক স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি তিনি।সোমবার(৩ আগস্ট)দুপুরে আবু বকর ছিদ্দিক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্ম সমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।এতে
ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাদেকুর রহমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।আবু বকর ছিদ্দিক কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি ইউনিয়ন জামায়াতের রুকন ও একই ইউনিয়নের চর সামছুদ্দিন গ্রামের আলী উল্যা হাওলাদারের ছেলে।আদালত সূত্র জানায়,সালেহা বেগম নামে এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আবু বকর চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই নারীকে গোপনে বিয়ে করেন তিনি, পরে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।জমি কেনার জন্য ৩০লাখ টাকা লেনদেন কে কেন্দ্র করে মোঃসেলিম নামে ভাড়াটে এক ব্যক্তিকে দিয়ে তিনি ২০২৫ সালের ১৫ জুন দিবাগত রাতে সালেহাকে ভাড়াটে লোক দিয়ে হত্যা করান।চার্জশিট ও থানা পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের
১৬ জুন কমলনগরের মতিরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে নুনু সর্দারের পরিত্যক্ত ভিটায় সাহেলা বেগমের মরদেহ পাওয়া যায়।এ ঘটনায় তার মেয়ে ফাতেমা বেগম অজ্ঞাত দের নামে মামলা করেন।কমলনগর থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়।সেলিম নামে এক ব্যক্তি কে
গ্রেপ্তার করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।আদালতে দেওয়া জবান বন্দিতে সেলিম স্বীকার করে,সালেহাকে নির্জন স্থানে নিয়ে তিনি গলা টিপে অচেতন করে।পরে তাকে ধর্ষণ করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।সালেহার কাছে থাকা স্বর্ণ অলংকার নিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যায়।চার্জশিটে উল্লেখিত সেলিমের জবান বন্দি অনুযায়ী, সালেহার সঙ্গে আবু বকর ছিদ্দিকের গোপনে বিয়ে হয়।জমি কেনার কথা বলে সালেহার কাছ থেকে আবু বকর ৩০লাখ টাকা নেয়।কিন্তু জমি কিনে না দিয়ে উল্টো আরও ২০লাখ টাকা দাবি করে।এ নিয়ে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।আবু বকর ছিদ্দিক ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালেহাকে হত্যার জন্য সেলিমকে ভাড়া করে।সেলিমের স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দিতে থানা পুলিশ সেলিম এবং আবু বকর ছিদ্দিককে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।আসামি সেলিম কারাগারে থাকলেও আবু বকর পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।বাদির আইনজীবী আমজাদ হোসাইন বলেন,চার্জশিটভুক্ত দ্বিতীয় আসামি আবু বকর আদালতে আত্ম সমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।হত্যা মামালটি বিচারাধীন রয়েছে।