শ্রীবাস মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার:-পুলিশি সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন মানব সেবায় অসামান্য অবদান রেখেই চলেছেন কমলনগরের কৃতি সন্তান পুলিশ সদস্য মোঃদোলন।তার এ সব কৃতিত্বের জন্য মাত্র ১০ বছরের চাকরী জীবনে পেয়েছেন সরকারী- বেসরকারি বিভিন্ন সম্মাননা পদক।সর্বশেষ গত শুক্রবার(৩ই এপ্রিল)সানরাইজ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত কমলনগর গর্ব সম্মানা পদকও পেয়েছেন তিনি।ওই দিন আইন শৃঙ্খলার পাশাপাশি মানব সেবায় অসামান্য অবদানের
স্বীকৃতি স্বরুপ জাতীয় সংসদের হুইপ স্থানীয় সাংসদ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান তার হাতে সম্মাননা পদক তুলে দেন।উপজেলার পাটারিরহাট এলাকার আলহাজ্ব মোঃফারুক মেহেদীর একমাত্র ছেলে দোলন ছাত্র জীবন থেকে অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে ছিলেন।তিনি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করে বর্তমানে ডিএমপি ঢাকার লালবাগ বিভাগে কর্মরত আছেন।চাকরি জীবনের পাশাপাশি তিনি বান্দরবান,লক্ষ্মীপুর,চট্টগ্রাম,ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে সর্ব মহলে পেয়েছেন ভূয়সী প্রশংসা।তার এই দেশপ্রেম, বীরত্ব ও সেবামূলক কাজের প্রশংসার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন আইজিপি পদক,পরিবেশ পদক,শেরে বাংলা একে ফজলুল হক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড,নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পদক, নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে পেয়েছেন নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সম্মাননা।খোজ নিয়ে জানা যায়,দোলন লক্ষ্মীপুরে
কমলনগরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১৭৫০ জন বিধবা কর্মউদ্যোগী নারীকে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন।তিনি শিক্ষা বিমুখ ও ঝরে পড়া শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ৪ টি মানবিক পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করেছেন,যেখানে প্রায় ২৬৭ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে।তিনি ৪৭ জন সদস্য নিয়ে কমলনগরে প্রতিষ্ঠা করেছেন মেহেদী রাজা স্মৃতি ফাউন্ডেশন।ওই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি নদীভাঙ্গা ভূমিহীন অসহায় মানুষের জন্য করেছেন উন্মুক্ত গন কবরস্থান,স্কুল প্রতিষ্ঠা, অত্র অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি,চিকিৎসা সেবা সহায়তা, ইত্যাদি মানবিক কর্মকান্ড করে আসছেন।তিনি কমলনগরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষায় প্রায় ২৭ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছেন।এছাড়াও মুমূর্ষ রোগীদের রক্ত দিতে ব্লাড ক্রাইসিস মোমেন্ট টিম নামে একটি ব্লাড ডোনার গ্রুপ তৈরি করেছেন।এবং মুমূর্ষ রোগীদের জন্য তিনি নিজেই ১৭ বার রক্তদান করেছেন।তিনি চারজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তিকে চিকিৎসা করিয়ে চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে আনতে চিকিৎসা সহায়তা করেছেন।তিনি বিভিন্ন এলাকা প্রায় ২৯জন গৃহহীন মানুষকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন।এবং শারীরিক প্রতি বন্ধীদের এ পর্যন্ত ১৯২টি হুইলচেয়ার বিতরণ করেছেন।এ
বিষয়ে পুলিশ সদস্য মেহেদী হাসান দোলন বলেন,ছাত্র জীবন থেকেই আমি অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসতেছি, কর্মজীবনে এসে প্রান্তিক পর্যায়ে তা বড় পরিসরে করার চেষ্টা করে যাচ্ছি,এসব কাজ করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই।তাছাড়া সৃষ্টির সেবার মাধ্যমে স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করা যায়।এছাড়াও তিনি আরো বলেন,"সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন পৃথিবী হবে মানবিকময়।